মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে কয়েল, অ্যারোসল স্প্রে আর ইলেকট্রিক ব্যাটের পাশাপাশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘ইনসেক্ট শিল্ড’ বা মশানিরোধক নেট।
মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে কয়েল, অ্যারোসল স্প্রে আর ইলেকট্রিক ব্যাটের পাশাপাশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘ইনসেক্ট শিল্ড’ বা মশানিরোধক নেট। এই নেটের সুবিধা হলো এটি সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব, কোনো রাসায়নিকের ঝুঁকিও নেই। চলাচলে মশা বাধা পেলেও আলো-বাতাস তেমন কোনো বাধা পায় না। মশা ছাড়াও মাছি ও ইঁদুরের প্রবেশ ঠেকানো যায়। জানালার গ্রিল কিংবা বারান্দায় স্থায়ীভাবে নেট বসিয়ে মশা ঠেকানোর এই সেবা এখন ঢাকাসহ সারা দেশেই মিলছে।

নতুন ধরনের নেট
বাজারের গতানুগতিক নেটের চেয়ে এই নেটের গড়ন আলাদা। এতে ব্যবহার করা হয়েছে পিভিসি ফাইবার, ভিকারস স্ক্রিন বা ইগল স্ক্রিনের মতো উন্নতমানের নেট। এর বিশেষত্ব হলো এতে আছে ভেলক্রো টেপ, যা একধরনের বিশেষ আঠা ও হুক সিস্টেম দিয়ে আটকানো থাকে। ফলে দীর্ঘদিন ব্যবহারে ধুলাবালু আটকে ময়লা হলেও যখন খুশি নেটটি খুলে ধোয়া যায় এবং খুব সহজে সেট করা যায়।
কেমন দাম
বাজারে বর্তমানে তিন গ্রেডের নেটের চাহিদা বেশি। এলাকা ও প্রতিষ্ঠানভেদে দামের কিছুটা পার্থক্য লক্ষ করা যায়।
এ গ্রেড (প্রিমিয়াম)
যাঁরা দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজছেন বা নিজের ফ্ল্যাট আছে, তাঁদের জন্য এটি সেরা। প্রতি বর্গফুট নেটের দাম পড়বে ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা। মিলবে ৭ থেকে ১২ বছরের ওয়ারেন্টি।
বি গ্রেড (মিডিয়াম)
ভাড়া বাসায় চার-পাঁচ বছর থাকার পরিকল্পনা থাকলে বেছে নিতে পারেন এ ধরনের নেট। প্রতি বর্গফুটের দাম পড়বে ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা।
সি গ্রেড (বাজেট ফ্রেন্ডলি)
দুই-তিন বছরের জন্য কম খরচে সমাধান চাইলে নিতে পারেন সি গ্রেডের নেট। প্রতি বর্গফুটের দাম পড়বে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।
এ ছাড়া জানালার জন্য নেটের মধে৵ চেইন সিস্টেম যোগ করতে হয়। প্রতিটি চেইন বাবদ ১০০ টাকার মতো খরচ পড়বে। বারান্দায় সাধারণত চেইন যোগ করার দরকার হয় না।