জার্মানির অনুশীলন ক্যাম্পে বিষধর কপারহেড সাপ

বিশ্বকাপে মাঠে যখন জমে উঠেছে খেলা, তখন অনুশীলনে ভর করেছে আতঙ্ক। কুরাসাওকে ৭-১ গোলে হারিয়ে যেখানে ফুরফুরে মেজাজে থাকার কথা জার্মানির, সেখানে অনুশীলনে পা ফেলতেও ভয়। কারণ, অনুশীলনে ঘাসের মধ্য থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক বিষধর সাপ।  

বিশ্বকাপে প্রতিটি দলের জন্য আলাদা আলাদা ট্রেনিং ফ্যাসিলিটি বরাদ্দ করেছে ফিফা। বিশ্বকাপের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দলগুলো থাকবে এখানেই। জার্মানি তাদের শিবির গড়েছে নর্থ ক্যারোলাইনার ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে। সেখানেই দেখা মেলে বিষধর কপারহেড সাপের।

সকালে অনুশীলনে নামতেই ঘাসের মধ্যে চোখে পড়ে একটি সাপ। দ্রুত অনুশীলন থামিয়ে সেখান থেকে সরে আসে জার্মানি দল। পরে সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় বিষধর সাপটিকে।

জার্মান অধিনায়ক ইয়োশুয়া কিমিখ অবশ্য সামান্য রসিকতাই করেছেন ঘটনা নিয়ে, ‘জার্মানিতে আমরা ম্যাচের আগে নিজেদের শাণিয়ে নিই, চোট-আঘাত আর পরবর্তী প্রতিপক্ষকে নিয়ে চিন্তাভাবনা করি। এখানে এসে তো ঘাসের ভেতর কী আছে, সেটা নিয়েও ভাবতে হচ্ছে। গতকাল আমরা একটা সাপ দেখতে পেয়েছি। পরে জানতে পারলাম, এই সাপ নাকি বিষধর। কামড়ালে আমাদের হাসপাতালেও যেতে হতে পারত। সত্যি বলতে জার্মানিতে আমাদের এত ভয়ংকর জীবজন্তুর মুখোমুখি হতে হয় না।’

রসিকতা করলেও ঘটনা নিয়ে সাপ নিয়ে চিন্তিত সবাই। কিমিখ জানালেন সেই কথা, ‘এখানে আসার পর থেকে সাপ নিয়ে আমরাও মজা করেছি। কিন্তু একবার কামড়ে দিলে সেটা আর মজা থাকত না। সবাইকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি করতে হতো।’

বিবিসির তথ্যমতে, উত্তর ক্যারোলাইনায় সবচেয়ে বেশি দেখা যায় কপারহেড প্রজাতির সাপ।  

শুধু জার্মানি নয়, অনুশীলন শুরুর আগে সাপ নিয়ে সতর্ক করেছিল সুইজারল্যান্ডও। সান ডিয়েগোতে নিজেদের অনুশীলন মাঠের ছবি দিয়ে স্পষ্ট করে দেখিয়ে দিয়েছিল, কে কোথায় অনুশীলন করবে। ড্রেসিং রুম, জিম, গোলরক্ষক আর বাকি খেলোয়াড়দের অনুশীলনের জায়গার সঙ্গে সঙ্গে দেখিয়ে দিয়েছিল সাপের বিচরণ এলাকাও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *